আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি ধান ৪৮



আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি ধান ৪৮, ধান চাষাবাদ এর ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। আজকের আলোচনায় আমরা জানবো আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি ধান ৪৮ চাষাবাদ ও অন্যান্য দিক নিয়ে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি ধান ৪৮ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করি।আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি ধান ৪৮ একটি সম্ভাবনাময় জাত স্বল্প জীবনকাল বিশিষ্ট এই জাতের ফলন অনেক ভালো তাই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জাতের চাষাবাদ দিন দিন বাড়ছে।

জাত এর নামঃ ব্রি ধান ৪৮
চাষের মৌসুম - আউশ


অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ


বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

জীবনকালঃ ১১০ দিন দিন

ফলন প্রতি হেক্টরঃ

৫ টন, প্রতি বিঘা ১৬ থেকে ১৮ মন

জাত এর বৈশিষ্টঃ

১। আগাম জাত।
২। গাছের উচ্চতা ১০৫ সেন্টিমিটার।
৩। কাণ্ড শক্ত।
৪। চাল মাঝারি, মোটা ও সাদা।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.৫%।



চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

১ । বীজতলায় বীজ বপন : ১৫ চৈত্র - ৫ বৈশাখ (৩০ মার্চ - ১৫ এপ্রিল)।
২ । চারার বয়স : ২০-২৫ দিন।
৩ । রোপণ দূরত্ব : ২০ x ১৫ সেন্টিমিটার।
৪ । চারা রোপণ : ৫-৩০ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল - ১০ মে)।
৫ । বীজের পরিমাণ : ২৫-৩০ কেজি/হেক্টর বা ৩-৪ কেজি/বিঘা।
৬ । সার ব্যবস্থাপনা : ইউরিয়া সার -২০ কেজি/বিঘা; টিএসপি সার -৭ কেজি/বিঘা); এমওপি সার -১০ কেজি/বিঘা; জিপসাম সার -৫ কেজি/বিঘা; জিংক সালফেট সার -০.৭ কেজি/বিঘা।
৭ । সার প্রয়োগ পদ্ধতি : ইউরিয়া সার সমান ২ ভাগে ভাগ করে ১ম কিস্তি জমি শেষ চাষের সময় এবং ২য় কিস্তি চারা রোপনণর ৩০-৪০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে। তবে এলসিসি ভিত্তিক ইউরিয়া প্রয়োগ করাই উত্তম।
৮ । আগাছা দমন : চারা রোপণের পর অন্তত ৩০-৪০ দিন পর্যন্ত জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
৯ । রোগবালাই দমন : ব্রি ধান৪৮ পাতা পোড়া রোগ কিছুটা প্রতিরোধ করতে পারে। অনুমোদিত বালাই দমন ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।
১০ । ফসল কাটা : ১০-৩০ শ্রাবণ মধ্যে (২৫ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট) ধান কাঁটা যায়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্চিং লিংক প্রোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪