কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচনায় আমরা আজকে জানব স্ক্রিনশটস টেকনিক- গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার- কপিরাইটিং- প্লেইজারিজম- আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং এবং বাইং কিওয়ার্ড সম্পর্কে। কারণ একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে এই বিষয়গুলো জানতে হবে। তাই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এ সম্পর্কে জেনে নিন।
আর্টিকেল রাইটিং এর টুলস
আপনি আর্টিকেল লিখবেন, আর্টিকেল রাইটার হবেন, আপনার আর্টিকেল গুগলে পাবলিস্ট হবে জনগণ সেগুলো পড়বে অথচ আপনি স্ক্রিনশটস টেকনিক- গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার- কপিরাইটিং- প্লাগারিজম- আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং এবং বাইং কিওয়ার্ড এগুলো সম্পর্কে জানেনই না, তা কি হয়? আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়লে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন।

ভূমিকা

আপনি যদি একজন ব্লগার হতে চান এবং লেখালেখি করে ভালো অর্থ উপার্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্ক্রিনশটস টেকনিক- গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার- কপিরাইটিং- প্লেইজারিজম- আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং- বাইং কিওয়ার্ড এগুলো সম্পর্কে জানুন এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। আর এই বিষয়গুলো সম্পর্কে খুঁটিনাটি না জানলে আপনি কখনোই একজন ভালো কনটেন্ট রাইটার হতে পারবেন না। এই বিষয়গুলো জানার মাধ্যমে আপনি একজন ভালো কনটেন্ট রাইটার হয়ে উঠতে পারবেন।

স্ক্রিনশটস টেকনিক কি এবং কেন?

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচ্য সূচিতে এখন আমরা আলোচনা করব স্ক্রিনশট টেকনিক কি এবং কেন। তাহলে চলুন সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে স্ক্রিনশট টেকনিক কি এবং কেন তা জেনে নেই। 
আর্টিকেল লেখার সময় পোষ্টের ভিতর পাঠকের বোঝার সুবিধার জন্য বিভিন্ন ছবি বা ইমেজ ব্যবহার করা হয় এবং এই ছবি বা ইমেজের উপরে বিভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করে দেখিয়ে দেওয়া হয় যে, এই কাজটা এভাবে করতে হবে, ঐই কাজটা ঐভাবে করতে হবে, মূলত এটাই হলো স্ক্রিনশট। স্ক্রিনশট ব্যবহারের বিভিন্ন টেকনিক রয়েছে যে টেকনিকগুলো অবলম্বন করে আপনি সহজেই সুন্দরভাবে একটি স্ক্রিনশট নিয়ে আপনি আপনার পোষ্টের ভিতরে সেট করতে পারেন।
মোবাইলের বা কম্পিউটার বেলায় স্ক্রিনশট নেওয়ার ক্ষেত্রে মোবাইলের বা কম্পিউটারের পুরো স্ক্রিনটি না নিয়ে শুধুমাত্র যে অংশটুকু দেখানো দরকার সেটুকুসহ অল্প কিছু অংশ নিয়ে দেখাতে হবে, তাতে করে স্ক্রিনশটটি দেখতে অনেক সুন্দর হবে।
মোবাইলে স্ক্রিনশট নেওয়ার নিয়ম আমরা সবাই জানি। তবে এক একটা ফোনে এক এক ভাবে স্ক্রিনশট নেওয়া যায়। কোন ফোনের ভলিয়ম বাটন এবং পাওয়ার বাটন একসাথে চাপ দিলে Screenshot নিয়ে নেয় আবার কোন ফোনের স্ক্রিনের উপর আঙ্গুল রেখে নিচের দিকে টান দিলে স্ক্রিনশট হয়ে যায়।
কম্পিউটারে স্ক্রিনশট নেওয়ার বেলায় যে পেজটির স্ক্রিনশট নিবেন সেই পেজটি ডেক্সের উপরে ওপেন করুন, এখন স্টার্ট মেনুতে গিয়ে স্পিনিং টুল লিখে সার্চ করুন। স্পিনিং টুল চলে আসলে নিউ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর যতটুকু অংশ স্ক্রিনশট নিবেন ততটুকু সিলেক্ট করুন। এরপর শেভ অপশনে গিয়ে সেভ করে নিন।

গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার কেন প্রয়োজন?

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচ্য সূচিতে এখন আমরা জানবো গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার কেন প্রয়োজন? তাই পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার কেন প্রয়োজন? তা জেনে নিন। 
লেখার সময় আমরা নিজের অজান্তেই বানান ভুল করে ফেলি। অনেক সময় চেক দিলেও ধরতে পারি না। কিন্তু আমরা যদি গ্রামাটিকাল চেকার ব্যবহার করি তাহলে খুব দ্রুত এবং সহজেই আমরা আমাদের বানানগুলো ধরতে পারবো, মূলত এটাই হলো Grammatical Checker । আমরা সাধারণত দুই ভাষাতে লেখালেখি করি বাংলা ভাষা এবং ইংরেজি ভাষা। এই দুই ভাষাতেই কিভাবে গ্রামারটিকাল চেক করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করব।
ইংরেজিতে আমরা যখন একটা সেন্টেন্স বা বাক্য লিখি সেখানে যদি কোন ওয়ার্ডের নিচে লাল চিহ্ন বা আন্ডারলাইন চলে আসে তাহলে বুঝতে হবে সেই বানানটি ভুল হয়েছে। আমরা যদি ওয়ার্ড এর ভিতর কারছার রেখে মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করি তাহলে দেখব অনেকগুলো সঠিক বানান চলে এসেছে। আমার যেটা প্রয়োজন সেটার উপরে ক্লিক করেই আমরা সঠিক বানানটি সহজেই নিয়ে নিতে পারি।
অভ্র কিবোর্ড ব্যবহার করে আমরা সহজেই বাংলা বানান চেক করে নিতে পারি। এজন্য আমাদের যেটা করতে হবে আমাদের ডিভাইসে অভ্র ইনস্টল থাকতে হবে। এরপর নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।
  • কম্পিউটারের মেনু অপশনে প্রবেশ করুন।
  • সার্চ অপশনে অভ্র লিখলে সার্চ করুন।
  • অভ্র স্পেল চেকার নামে একটা অপশন চলে আসবে এখানে ক্লিক করুন।
  • অভ্র এস্পেল চেকার এর ভিতর আপনি যা লেখতে চান লিখে ফেলুন।
  • উপরের ডান পাশে স্পেল চেক অপশনটি ওপেন করুন।
  • স্পেল চেক নাউ অপশনটি চলে আসবে এখানে ক্লিক করুন।
  • দেখবেন অনেকগুলো সঠিক বানান চলে এসেছে যেটি আপনার প্রয়োজন সেটি ক্লিক করে চেঞ্জ ওয়ান নামক অপশনে ক্লিক করুন।
এভাবে আমরা খুব সহজেই বাংলা বানান ঠিক করে নিতে পারি।

কপিরাইটিং সম্পর্কে জানুন

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচ্য সূচিতে এখন আমরা জানবো কপিরাইটিং সম্পর্কে। আপনি যদি কপিরাইটিং সম্পর্কে জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।  
কাস্টমারের এটেন্সান(Attention) বা মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য লেখার শুরুতে আকর্ষণীয় বাক্য বা বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে, পণ্যের গুনাগুন সম্পর্কে উপকৃত হওয়ার গ্যারান্টি বা প্রমিস(Promise) করে কাস্টমারের কাছে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করা বা কল টু একশন(Call to action) সম্পূর্ণ করাকে Copy Righting বলে।

প্লেইজারিজম(Plagiarism) কি? এর অপকারিতা সম্পর্কে জানুন

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচনায় আমরা এখন জানবো প্লেইজারিজম(Plagiarism) কি? এর অপকারিতা সম্পর্কে
প্লেইজারিজম(Plagiarism) হল কোন একটা লেখার পুরো অংশ বা অর্ধেক অংশ বা কোন অংশবিশেষ কপি করে ওয়েবসাইটে নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া কে প্লেইজারিজম(Plagiarism) বলে। এটি একটি অপরাধ মূলক কাজ এবং আইন বিরোধী। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি আপনার লেখার কোন অংশ প্লেইজারিজম(Plagiarism) করে চালিয়ে দেয় তাহলে আপনি কপিরাইট স্ট্রেইক দিতে পারবেন বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
ঠিক তেমনি আপনিও যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের লেখা প্লেইজারিজম(Plagiarism) করেন, তাহলে আপনার বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে বা কপিরাইট স্ট্রাইক দিতে পারবে। আর এটা প্রমাণিত হলে, আপনার ওয়েবসাইটটি বাতিল করে দেওয়া হবে তাই আসুন আমরা প্লেইজারিজম(Plagiarism) থেকে দূরে থাকি।

আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং সম্পর্কে জানুন

কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচনায় আমরা এখন জানবো আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং সম্পর্কে
আর্টিকেল স্পিনিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে একটা আর্টিকেল কে অনুকরণ করে অন্য একটি আর্টিকেল তৈরি করা, যেখানে ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকবে কিন্তু অর্থ একই রকম বোঝাবে, এটাকেই মূলত আর্টিকেল স্পিনিং বলে। বর্তমানে অনেকেই আর্টিকেল স্পিনিং ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে পাবলিস্ট করছে।
এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে গুগল কর্তৃপক্ষ যদি বুঝতে পারে আপনি বারবার আর্টিকেল স্পিনিং ব্যবহার করছেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি বাতিল করে দিতে পারে। তাই আর্টিকেল স্পিনিং ব্যবহার করার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করুন। পারোতো পক্ষে না করাই ভালো।
আর্টিকেল স্পিনিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে সেখানে শুধুমাত্র কিওয়ার্ড লিখে দিলেই সফটওয়্যারটি ওই কিওয়ার্ড সংশ্লিষ্ট একটি আর্টিকেল সুন্দরভাবে লিখে দিবে এটাই হল আর্টিকেল স্ক্রাপিং।

বাইং কিওয়ার্ড ব্যবহার করে কিভাবে ইনকাম বাড়াবেন

আমরা অনেক সময় কোন কিছু জানা বা ক্রয় করার জন্য ওই বিষয়ে বা বস্তু সম্পর্কে জানতে গুগলে লিখে সার্চ দেই এবং সেখান থেকে ওই বিষয়ে বা বস্তু সম্পর্কে অনেক তথ্য পেয়ে যায়। গুগলে গিয়ে যে শব্দ বা বাক্যগুলো লিখে সার্চ করলাম সেই শব্দ বা বাক্যগুলোই মূলত বাইং কিওয়ার্ড।
অর্থাৎ, একজন ক্রেতা বা তথ্য অনুসন্ধানকারী পণ্য ক্রয় বা তথ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে গুগল ব্রাউজারে এসে সেই পণ্য বা সেবার বর্ণনা লিখে সার্চ করে সেটাই মূলত বাইং কিওয়ার্ড।
একজন আর্টিকেল রাইটার বা ব্লগার যদি জনপ্রিয় বাইং কিওয়ার্ড নির্বাচন করে আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে সহজেই তার আর্টিকেলটি গুগোল র‍্যাংঙ্ক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সেখান থেকে আয় ইনকামের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, কন্টেন্ট রাইটার হতে চাইলে আপনার যা জানা দরকার এই আলোচনায় আমরা জানতে পারলাম স্ক্রিনশটস টেকনিক- গ্রামাটিক্যাল এরর চেকার- কপিরাইটিং- প্লেইজারিজম- আর্টিকেল স্পিনিং ও স্ক্র্যাপিং বাইং কিওয়ার্ড এগুলো কি, কেন প্রয়োজন এবং কিভাবে এগুলো ব্যবহার করব।
আশা করি, এই আলোচনার মাধ্যমে আপনারা এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। এরপরেও যদি কোন জানার থাকে তাহলে আমাদের সাথে কন্টাক করুন। আশা করি, এই তথ্য গুলো আপনার অনেক উপকারে আসবে এবং এই উপকারী তথ্যগুলো অবশ্যই আপনা আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্চিং লিংক প্রোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪