রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন

প্রিয় পাঠক, আমরা আজকে আলোচনা করব রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন। প্রতিটি মানুষেরই রাগ আছে। আর রাগ হচ্ছে মানুষের অনুভূতি প্রকাশের এক মাধ্যম। আমরা আজকে রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এই আর্টিকেলে রাগ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। পুরো আর্টিকেলটি পড়ে আমাদের সাথেই থাকুন। আশা করি আপনার অনেক উপকার আসবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন।
রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায়
মানুষ ভেদে রাগের প্রকাশও বিভিন্ন রকম হয়। তবে, যে যেভাবেই প্রকাশ করুক না কেন, আপনি রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। রাগ মানুষের শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক এমনকি প্রতিটা ক্ষেত্রেই অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পোস্ট সূচীঃ রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন

ভূমিকা

আমরা অনেক সময় খুঁটিনাটি বা ছোটখাট অনেক বিষয়ে হুটহাট রাগ করে ফেলি। সেটা হতে পারে প্রিয়জনের উপর অথবা অফিস কলিকের উপর। কিন্তু একটা বিষয় ভেবে দেখেছেন, আমরা কিন্তু কখনোই অপরিচিত কোন মানুষের সাথে রাগারাগি করতে যাই না, বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড়া। 
তাই আপনার যদি রাগ থাকে এবং রাগের কারণে শারীরিক, মানসিক, সাংসারিক ক্ষতি হচ্ছে তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। ধৈর্য ধরে, রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন পুরো পোস্টটি পরতে থাকুন।

রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন

রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এই পোস্টের মাধ্যমে এখন আমরা জানবো কিভাবে রাগকে সহজেই নিজের নিয়ন্ত্রণে নিবেন।
  • যখন রাগ হবে তখন আপনি বুঝতে পারবেন আমি রেগে যাচ্ছি, ঠিক তখনই দ্রুত সেই স্থান ত্যাগ করুন এবং দূরে গিয়ে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন।
  • রাগ কমানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো, রেগে গেলে কথা না বলা, কারণ মানুষ রেগে গেলে নমনীয় আচরণ করে না তাই হঠাৎ রেগে গেলে কথা না বলে কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকুন। দেখবেন রাত এমনিতেই কমে গেছে।
  • রাগ নিয়ন্ত্রণ করার আরেকটি সহজ উপায় হল উল্টা গণনা করা। আপনি যখন ১০০ থেকে ১ পর্যন্ত গোনা শুরু করবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনোযোগ অন্যদিকে ফিরে আসবে। এটি অনেক পুরাতন পদ্ধতি, তবে অনেক ভালো কাজ করে।
  • আপনি যে সমস্যাটা নিয়ে রাগারাগি করছেন একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে দেখবেন এর সুন্দর একটা সমাধান আছে। তাই যে কোন পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করতে অভ্যাস করুন।
  • কেউ আপনাকে বিরক্ত করলে বা রাগানোর চেষ্টা করলে অথবা খারাপ কোন কথা বললে আপনার রাগ ওঠার আগেই আপনি চোখ, কান বন্ধ করে চুপচাপ বসে থাকুন। মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন। কিছুক্ষণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেই দেখবেন রাগ কমে গেছে।
  • যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। নিজেকে নিয়ে বেশি হিসাব নিকাশ করতে গেলে রাগ আরো বেড়ে যায়, তাই পরিস্থিতি মানিয়ে নিয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
  • যখন একেবারেই রাগ সামলাতে পারছেন না সেখান থেকে একটু দূরে গিয়ে হাঁটা হাঁটি করুন। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলেই দেখবেন রাগ আপনা আপনি কমে গেছে।
  • টেনসনে ক্ষিপ্ত হয়ে কখনোই সিগারেট বা নেশা জাতীয় কোন কিছু খাবেন না। এতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হিতে বিপরীত হয়।
  • কিছু কিছু সময় নিজের উপরেই অনেক রাগ হয়। নিজের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষ অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। তাই কখনো এরকম মনে হলে খুব কাছের মানুষের সাথে কথা বলুন এবং নিজের খারাপ লাগাটা শেয়ার করুন। দেখবেন অনেক ভালো অনুভব করছেন।
  • রাগকে চিরতরে বন্ধ করতে চাইলে ধ্যান করার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ধ্যান করার মাধ্যমে আপনি আপনার মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবেন এবং যখন তখন রেগে যাও বন্ধ করতে পারবেন।
  • রাগ কমানোর জন্য সুস্থ জীবন যাপন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করার ফলে আপনার খাদ্য অভ্যাসে একটা পরিবর্তন আসবে। আর সেখান থেকে রাগ ও নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।
  • খুব বেশি রাগ উঠলে বড় করে নিশ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ আটকে রেখে আবার ছেড়ে দিন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ বার করুন দেখবেন রাগ কমে গেছে।
  • সবচেয়ে ইফেক্টিভ এবং কার্যকারী উপায় হল ক্ষমা করা এবং ত্যাগ স্বীকার করা। যে কোনো পরিস্থিতিতে ক্ষমা করতে শিখুন এবং ত্যাগ স্বীকার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কারণ ক্ষমা হলো মহত্বের লক্ষণ।
আশা করি, উপরের কার্যকারী পরামর্শ গুলো আপনার রাগ কমাতে এবং চিরতরে বিদায় করতে অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

রাগ কমানোর দোয়া

রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এ আলোচনায় আমরা শিখব দোয়া বা আমলের মাধ্যমে কিভাবে আমাদের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
প্রতিটি মানুষেরই রাগ আছে। রাগ শুধু মানুষে মানুষে সম্পর্কই নষ্ট করে না এটা মানুষের শরীরের জন্যেও অনেক ক্ষতিকর। এ প্রসঙ্গে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "সে প্রকৃত বীর নয় যে কুস্তিতে মানুষকে হারিয়ে দেয় বরং সেই প্রকৃত বীর যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়" (বুখারী)।
রাগ দমন করা অনেক কঠিন কাজ আর এই কাজটিই যে ব্যক্তি করতে পারে তিনি দুনিয়াতে এবং আখিরাতে কামিয়াব হবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে (তারাই মহসিন বা সৎকর্মশীল) বস্তুতঃ আল্লাহ , তায়লা সৎকর্মশীলদেরই ভালোবাসেন। (সুরা ইমরানঃ আয়াত ১৩৪)।
আমাদের প্রিয় নবী (সা:) রাগ কমানোর জন্য ৪টি সুন্দর উপদেশ দিয়েছেন যা আপনার রাগকে সাথে সাথেই কমিয়ে দিবে।
  • রাগ শয়তানের তরফ থেকে আসে। তাই নবীজি বলেছেন, শয়তান আগুনের তৈরি আর আগুন কে ঠান্ডা করে পানি, তাই যদি কারো রাগ বা ক্রোধ আসে তবে তার ওযু করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। (বুখারী, মিশকাত)
  • আমাদের প্রিয় নবী সাঃ আরো বলেছেন, "যদি দাঁড়ানো অবস্থায় কেউ রাগান্বিত হয় ,তবে সে যেন বসে যায়। এতেও যদি রাগ না কমে, তবে সে যেন মাটিতে শুয়ে পড়ে।" (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, মিশকাত)
  • খুব বেশি রাগ উঠলে বা ঝগড়া বেধে গেলে নবী করীম (সাঃ) এই দোয়াটি পড়তে বলেছেন-"আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম" অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে পানা চাই। (মুসলিম)
  • নবী করীম সাঃ বলেছেন রাগ উঠলে তোমরা বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ কর-"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আদলা ফিল গাদাবি অয়ার রিদা" অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্রোধ ও সন্তুষ্টি উভয় অবস্থায়ই মধ্যমপন্থা কামনা করি।

রাগ কমানোর ওষুধ

রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এই শিরোনামটির আলোচনায় এখন আমরা জানবো, রাগ কমানোর ঔষধ সম্পর্কে। প্রিয় পাঠক, আগেও বলেছি প্রতিটি মানুষেরই রাগ হয় বা রাগ আছে। আপনি যদি ঔষধের মাধ্যমে আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাহলে বুঝতে হবে আপনাকে মানসিক ডাক্তার দেখাতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, রাগ কমানোর কোন ঔষধ নেই। তাহলে চলুন রাগ কমানো বা নিয়ন্ত্রণের আরো কিছু টিপস আপনাদের সামনে তুলে ধরি।
  • কিছুক্ষণের জন্য মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন এবং চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
  • হঠাৎ রাগ হয়ে গেলে গান শোনার চেষ্টা করুন। দেখবেন রাগ কমে গেছে।
  • কোন কারন ছাড়াই হাসার চেষ্টা করুন।
  • ব্যায়াম করা শুরু করুন।
  • নিজের মনকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন।
  • যে কারণে রাগ হচ্ছে সেটা বারবার মনে না করে অন্য কিছু ভাবার চেষ্টা করুন।

রাগ কমানোর খাবার

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু খাবার আছে যে গুলো নিয়মিত খেলে আমাদের মুডকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই খাবারগুলো আমাদের মনকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আবার কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে সরাসরি হরমোন নিঃসরণ হয়ে আমাদেরকে উত্তেজিত করে তোলে। আরো কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে আমাদের মনকে শান্ত রাখে। তাই চলুন রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এ আলোচনায় রাগ কমানোর খাবারগুলো জেনে নেই।
  • কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম আছে যা আমাদের নার্ভ কে শান্ত করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন।
  • ডিমে আছে প্রোটিন, ভিটামিন বি, ভিটামিন ডি যা আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করবে, তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।
  • অ্যাভোকাডো প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি আছে, যা মস্তিষ্কের কোষের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করে। সেই সাথে আছে বিটা ক্যারোটিন, লুটিন, ভিটামিন ই গ্লুটাথায়ান যার নার্ভকে শান্ত রাখতে সহযোগিতা করে।
  • আলুতে আছে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন বি, যা রক্তচাপ কমিয়ে আপনাকে মানসিক চাপমুক্ত রাখতে সহযোগিতা করে।
  • আপনার যদি ঘন ঘন রাগ ওঠে তাহলে হাতের কাছে একটি আপেল রেখে দিন। যখন রাগ উঠবে তখনই একটি আপেল চিবাতে থাকুন, দেখবেন রাগ কমে গেছে।

প্রিয় মানুষের রাগ কমানোর উপায়

ভালোবাসায় মান-অভিমান থাকবেই। মান অভিমান মাঝে মাঝে সম্পর্ককে আরো গভীর করে তোলে। রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এ আলোচনায় এখন আমরা জানব কিভাবে প্রিয় মানুষের অভিমান কমানো যায়।
  • প্রথমে যে কাজটি করবেন সেটি হল সরি বলা, তবে হ্যাঁ, সেটা অবশ্যই মন থেকে বলবেন।
  • প্রিয় মানুষ্টিকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ুন।
  • প্রিয় মানুষটির রাগ ভাঙ্গানোর সবচেয়ে সহজ এবং সুন্দর উপায় হল উপহার দেওয়া।
  • দীর্ঘদিনের অপূরণীয় কোন চাহিদাকে পূরণ করা।
  • খুব গভীরভাবে বা আবেগি হয়ে প্রিয় মানুষের কাছে চিঠি লেখা।
  • নির্জন কোন স্থানে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া।
  • গভীরভাবে প্রিয়জনের দুহাত ধরে বসে থাকা।
  • হঠাৎ করেই মজার কোন গল্প বলা।
  • আপনার প্রিয়জন ছাড়া আপনার জীবনের কোন মূল্য নেই এরকম গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা।
  • প্রিয়জনের সামনেই তার ভালো দিক নিয়ে আলোচনা করা বা প্রশংসা করা।
  • রাগ কখনো দীর্ঘায়িত করবেন না যত দ্রুত রাগ ভাঙ্গিয়ে ফেলুন।
আশা করি, উপরের আলোচনা গুলো আপনার প্রিয়জনের রাগ ভাঙ্গানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়ক হবে

রাগ কি মানসিক রোগ?

অতিরিক্ত রাগ বা অহিংস আচরণ এগুলো সাধারণত মানসিক রোগের লক্ষণ। সাধারণত বিষণ্ণতা, এনজাইটি ডিসঅর্ডার, মাদকাসক্তি, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার ইত্যাদি মানসিক রোগগুলো থেকে খিটখিটে মেজাজ ও সহিংস আচরন দেখা যায়। আপনার যদি অথবা আপনার কাছের মানুষের যদি এরকম হয় তাহলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে। 
একজন শিশু যদি বিরূপ পরিবেশে বড় হয় এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অহিংস আচরণের শিকার হয় তাহলে সেও ঐ রকম আচরণ প্রকাশ করে। তাই শিশুদের সামনে কখনোই রাগারাগি বা অহিংসা আচরণ করা যাবে না।

রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বাস্থ্যকর উপকারিতা

  • অতিরিক্ত রাগের কারণে মানুষের স্ট্রোকের ঝুকি বেড়ে যায়, তাই রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন স্বাস্থ্যকে ভালো রাখুন।
  • ঘন ঘন রাগ করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই ঘন ঘন রাগ করা থেকে বিরত থাকুন স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিন।
  • রাগান্বিত ব্যক্তির যদি শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা থাকে তাহলে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে, তাই আপনার যদি শ্বাসকষ্ট জনিত কোন সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই রাগ করা থেকে বিরত থাকুন।
সুপ্রিয় পাঠক, রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা রাগ কমানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। চেষ্টা করেছি কোরআন হাদিসের আলোকে রাগ কমানোর উপায় গুলো নিয়ে। সেই সাথে রাগ করলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয় সে বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছি। 
আমরা আশা করি, আপনি যদি উপরের বিষয়গুলো মেনে চলেন তাহলে অবশ্যই আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ অথবা কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে রাগ কমানোর সবচেয়ে কার্যকারী উপায় সম্পর্কে জানুন এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনার যদি কোন উপকার হয় তাহলেই আমরা সার্থক। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্চিং লিংক প্রোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪