কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ

প্রিয় পাঠক, কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলে আমরা আজকে কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ গুলো নিয়ে আলোচনা করব। আপনি যদি কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আমাদের সাথেই থাকুন। আশা করি, সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় জেনে যাবেন।
কিডনি রোগের লক্ষণ ও কিডনি ভালো রাখার উপায়
মানুষের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে কিডনি একটি। কিডনিকে বাংলায় বলা হয় বৃক্ক। কিডনির কাজ হল রক্তের দূষিত পদার্থ পরিশোধন করে মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেওয়া। তাই কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ এটা জানা আমাদের জন্য খুবই জরুরী। তাই চলুন সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

ভূমিকা

মানব দেহের অভ্যন্তরে পিছনের নিমাংশে মেরুদন্ডের দুই পাশে অবস্থিত কিডনি বা বৃক্ক। কিডনি শুধু রক্ত পরিষ্কারই করে না রক্তকণিকা তৈরি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হাড়ের সুস্থতা, লবণ ও পানির ভারসাম্য রক্ষা সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। 
কিডনির দৈর্ঘ্য ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি এবং দেখতে অনেকটা সিমের মত। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নিয়েই আমাদের আজকের আলোচ্য সূচী। তাই কিডনি রোগের লক্ষণ ও কিডনি ভালো রাখার উপায় মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

কিডনি রোগের লক্ষণ

কিডনি অচল হওয়ার অনেকগুলো কারণ এর মধ্যে একটি হল অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিক্স এবং উচ্চ রক্তচাপ। তাই কিডনি রোগের লক্ষণ গুলো জানা আমাদের খুবই প্রয়োজন। কিডনি রোগের লক্ষণ সম্পর্কে আপনার যদি ধারণা থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার নিজের এবং পরিবারের অনেক উপকারে আসবে। তাই চলুন প্রথমে কিডনি রোগের লক্ষণ গুলো জেনে নেই।
  • ঘনঘন প্রসাব হওয়া অথবা প্রসব একেবারে কমে যাওয়া দুটো কারণই কিডনি রোগের লক্ষণ। সেই সাথে প্রসবের রং লালচে হওয়া এবং প্রসাবের সাথে রক্ত বের হওয়া।
  • চোখের নিচে, পায়ের গোড়ালিতে এমন কি হাত ফুলে যাওয়া এবং ফোলা ভাব এক থেকে দুই সপ্তাহ বেশি থাকা কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
  • খাবার গ্রহণে অরুচি এবং বমি বমি ভাব কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
  • শরীরের ত্বকের রং পরিবর্তন হওয়া, খসখসে হয়ে যাওয়া এবং চুলকানি ভাব এমনকি ফুসকুড়ি উড়তে পারে। এরকম লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই কিডনি পরীক্ষা করে নিতে হবে।
  • কোমরের দুপাশে এবং তলপেটে ব্যথা হওয়া এটাও কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে।
উপরে বর্ণিত লক্ষণ গুলো প্রকাশ পাওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনি কিডনি আক্রান্ত। তবে এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দীর্ঘ মেয়াদী হলে অবশ্যই আপনার কিডনি পরীক্ষা করে নিন। কিডনি রোগের এই লক্ষণগুলো জানা থাকলে অবশ্যই আপনার উপকার হবে।

কিডনি ভালো রাখার উপায়

কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ এই পোস্টসুচিতে এখন আমরা আলোচনা করব কিডনি ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে। একজন সচেতন মানুষ হিসাবে কিডনি ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে অবশ্যই আপনার জানা উচিত। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ে কিডনি ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জেনে নিন।
  • কিডনি ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। পানি কিডনিকে সচল রাখতে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম করতে সহায়তা করে।
  • কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকস জাতীয় পণ্য পরিহার করুন। এগুলো কিডনির জন্য অনেক ক্ষতিকর।
  • শারীরিক সুস্থতার জন্য ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটুন। নিয়মিত হাটা বা ব্যায়াম কিডনির জন্য অনেক উপকারী।
  • ধূমপান, মদ্যপান এবং তামাক গ্রহণ শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গের জন্যই ক্ষতিকর। সেই সাথে এগুলো কিডনির উপরও ব্যাপক প্রভাব পড়ে। তাই আপনার যদি এই অভ্যাসগুলো থেকে থাকে তাহলে আজই ত্যাগ করুন।
  • ভাতের সাথে কাঁচা লবন খান? এ অভ্যাস আজই ত্যাগ করুন। কারণ লবনে আছে সোডিয়াম। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দিতে পারে না। ফলে কিডনিতে রয়ে যায় এবং কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • একজন পূর্ণবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার ১২০/৮০ । যদি কোন কারণে আপনার রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় তাহলে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন। কারণ অতিরিক্ত রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
  • অতিরিক্ত তেল বা মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করুন। সেই সাথে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং নিয়মিত ফলমূল গ্রহণ করুন।
  • ব্যাথা নাশক ঔষধ বা পেইনকিলার কিডনির কোষের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাই অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই ব্যথা নাশক বা পেইনকিলার খাবেন না।
  • শরীরকে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোন বিকল্প নেই। নিয়মিত ঘুমের মাধ্যমে শরীরের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ থাকে। আর ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকলে কিডনি ও ভালো থাকে।
  • কিডনি রোগের সবচেয়ে বড় একটি কারণ হলো ডায়াবেটিস। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই কিডনি রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং ডাইবেটিকস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি বা ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যাবে না। একজন মানুষের জন্য প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ করলে যথেষ্ট। তাই কিডনি ভালো রাখতে এ ব্যাপারে সচেতন হোন।
  • অনেকক্ষণ প্রসাব আটকে রাখলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন প্রসাব আটকে না রাখার জন্য।
  • আর আপনার বয়স যদি ৪০ এর উর্ধ্বে হয়ে থাকে তাহলে বছরে অন্তত দুবার কিডনি পরীক্ষা করে নিন।
কিডনি ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে উপরে বর্ণিত উপদেশগুলো আপনি যদি মেনে চলেন তাহলে অবশ্যই আপনার উপকার হবে।

কিডনি রোগের কারন

কিডনি রোগের কারন সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য খুব জরুরী। আপনি যদি কিডনি রোগের কারন সম্পর্কে জানতে চান তাহলে পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কিডনি রোগের কারন গুলো জানা থাকলে অবশ্যই আপনি সচেতন হবেন। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক কিডনি রোগের কারন গুলো।
  • কিডনি রোগের অন্যতম একটি কারণ হলো নেফ্রাটাইসিস। নেফ্রাটাইসিস রোগটি সংক্রমণ এবং অসংক্রমণ দুই ধরনের হতে পারে। নেফ্রাটাইটিস রোগের উপসর্গ হলো শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যাওয়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া এবং প্রসাব এর মাধ্যমে আমিষ বের হওয়া।
  • ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি রোগে আক্রান্তর হার ৪০%। তাই আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন তাহলে অবশ্যই সুশৃংখল জীবন যাপন করুন।
  • কিডনি রোগের অন্যতম আরেকটি প্রধান কারণ হলো উচ্চ রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ বা ব্লাক প্রেসারে আক্রান্ত হন তাহলে অবশ্যই এ ব্যাপারে সচেতন হোন এবং আপনার উচ্চ রক্তচাপ এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখুন। কারণ এটা কিডনির উপর ব্যাপক প্রভাব পরে।
  • কিডনিতে পাথর জমে প্রসাব এর রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়া যাওয়ার কারণে অনেকেই কিডনি রোগে আক্রান্ত হন।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা কিডনি নষ্ট হওয়ার অন্যতম একটা কারণ। পানি পান না করলে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যায় ফলে দূষিত রক্ত কিডনিতে জমা হয়।
  • অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের ফলে কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  • ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণের ফলে কিডনির উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। কারণ অ্যালকোহলে থাকে অতিরিক্ত পরিমাণে টক্সিন। যা বের করে ফেলতে কিডনির উপরে প্রচন্ড রকমের প্রেশার পরে ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • বংশগত কারণেও অনেকে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়।
  • অনেকে আবার জন্মের সময় ত্রুটি পূর্ণ কিডনি নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
উপরে বর্ণিত কারণ গুলো সাধারণত বোঝা যায় কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পরে। তাই অবশ্যই আপনাকে কিডনি রোগের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

কিডনির সমস্যা হলে কোথায় কোথায় ব্যথা হয়

কিডনির সমস্যা হলে কোথায় কোথায় ব্যথা হয় এ বিষয়গুলো জানা আমাদের জন্য খুবই জরুরী। কারণ তলপেটে ব্যথা বা কোমরের নিচে ব্যথা মানেই কিডনির ব্যথা নয়। তাই আপনি যদি কিডনির সমস্যা হলে কোথায় কোথায় ব্যথা হয় আপনি জানতে চান তাহলে পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
  • কিডনির সমস্যা হলে সাধারণত মেরুদন্ডের একটু নিচে বাম দিকে অথবা ডানদিকে ব্যাথা হতে পারে।
  • কিডনির সমস্যা হলে অনেক সময় তলপেটেও ব্যথা হতে পারে।
  • আবার অনেক সময় কোমরের দুই পাশেও ব্যাথা হতে পারে।
  • কিডনিতে পাথর হলে প্রসবের সময় জ্বলা বা ব্যথা অনুভব হতে পারে। আর এ সমস্যা দেখা দেওয়া মাত্রই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।

কিডনিতে পাথর হয়েছে কিভাবে বুঝবেন

কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। আর ডিহাইড্রেশন হয় মূলত প্রচন্ড গরম আবহাওয়ার মধ্যে থাকা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা। কিডনিতে পাথর হয়েছে কিভাবে বুঝবেন এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন। তাই পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে জেনে নিন কিডনিতে পাথর হয়েছে কিভাবে বুঝবেন ।
  • তলপেটে ব্যথা অনুভব করা।
  • কোমরের দুই পাশে ব্যথা অনুভব করা।
  • প্রসবের রং লালচে আকার ধারণ করা।
  • প্রসবের সময় তীব্র জ্বালা বা ব্যথা অনুভব হওয়া।
  • মাঝে মাঝেই বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
  • মাঝে মাঝেই শরীরে জ্বর চলে আসা।
  • অনেক সময় পাথর ছোট হওয়ার কারণে কোন উপসর্গই প্রকাশ পায় না।

কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায়

যেকোনো রোগের বেলায় প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে বেশি উত্তম। তাই কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জানা আমাদের প্রত্যেকের জন্য খুবই জরুরী। আমরা চেষ্টা করব কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার। তাই কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জানতে সম্পূর্ণ পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ুন।
  • উচ্চ রক্ত চাপ বা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • শরীরের কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • অতিরিক্ত ঔষধ, ভিটামিন, উত্তেজক ট্যাবলেট ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন।
  • অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে কিডনিতে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। তাই ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
  • কিডনি রোগ প্রতিরোধ করতে চাইলে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। কারণ নিয়মিত ব্যায়াম করার মাধ্যমে ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ সহ অনেক জটিল ও কঠিন রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • মাংস ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
উপরে বর্ণিত কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায় গুলো মেনে চলার মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনিকে রোগমুক্ত রাখতে পারি।

কিডনি রোগের চিকিৎসা

আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, চরক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে। আর এসব কারণে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। কিডনি রোগের চিকিৎসা অনেক বহুল। 
কিডনি ডাইলোসিস এবং কিডনি প্রতিস্থাপন এর দুটোই অনেক ব্যয়বহুল। ডায়ালিসিসের খরচ দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এই ব্যয়ভার মেটানো সাধারণ জনগণের পক্ষে মোটেও সম্ভব হচ্ছে না। তাই অনেকে হাল ছেড়ে দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঢোলে পড়ছেন। 
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে ৬০ থেকে ৭০ % কিডনি রোগীকে চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা জেলা পর্যায়ের হসপিটালে কিডনি রোগের চিকিৎসা করা হয় সেই সাথে অনেক ভালো মানের বেসরকারি হসপিটালেও আছে যেখানে কিডনি রোগের অনেক ভালো চিকিৎসা হয়।

শেষ কথা

কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ সম্পর্কে আজকের এই আলোচনায় আমরা চেষ্টা করেছি কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তুলে ধরার। 
আমাদের বিশ্বাস আপনি যদি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কিডনি ভালো রাখার উপায় ও কিডনি রোগের লক্ষণ সম্পর্কে অনেকগুলো ধারণা পেয়েছেন এবং এখান থেকে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন। এই পোস্টে যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন যেন তারা উপকৃত হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্চিং লিংক প্রোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪