জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব

প্রিয় বন্ধুরা, আমরা আজকে আলোচনা করব জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে। যে সমস্ত ফরজ কাজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো নামাজ। আর একাকি নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত অনেক বেশি। তাই আমাদের আজকের এই আলোচনা জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব নিয়ে। সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

জামাতে নামাজ পড়ার নিয়মনামাজকে বলা হয় বেহেস্তের চাবি। একজন মুসলমান হিসাবে প্রত্যেকেরই চাওয়া বেহেস্তবাসী হওয়া। আর আল্লাহ পাকের যতগুলো হুকুম পালন করার নির্দেশ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো নামাজ। তাই জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে বিস্তারিত জেনে নিন।

  • ভূমিকা
  • জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম
  • জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব
  • জামায়াতে নামাজ পড়ার ফজিলত
  • স্বামী-স্ত্রীর জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম
  • মহিলাদের জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম
  • জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্বপূর্ণ হাদিস সমূহ
  • শেষ কথা

ভূমিকা

একজন মুসলমানের জন্য জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ঘরে একাকী নামাজ আদায়ের ব্যাপারে হাদিসের মধ্যে যথেষ্ট ধমকি এবং নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পক্ষান্তরে, জামাতে নামাজ আদায় অনেক সওয়াবের কথা হাদিসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন। নিম্নে জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম, গুরুত্ব, ফজিলত, স্বামী স্ত্রীর জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম, মহিলাদের জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম, ও জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস বিস্তারিত আকারে আলোচনা করা হলো।

জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম

আপনি কি জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এখানে জামাতের নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন জেনে নেই জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে।
  • জামাতে নামাজ আদায় করতে হলে সর্বপ্রথম যেটা প্রয়োজন তা হলোঃ একজন ইমাম নিযুক্ত করা, এবং ইমাম ব্যতীত এক বা ততোধিক মুসল্লী হওয়া। ইমামের সাথে যদি মুসল্লির সংখ্যা একজনও হয় তাহলেও জামাতে নামাজ আদায় করা যায়, আর তার চেয়ে বেশি হলে তো অবশ্যই জামাত হয়ে যাবে।
  • যদি ইমামের সাথে মুসল্লির সংখ্যা একজন হয় তাহলে ওই মুসল্লি ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবে, তবে সে ইমাম বরাবর ডানে দাঁড়াবে না, বরং কিছুটা পিছনে দাঁড়াবে, সর্বোচ্চ এক বিঘত পরিমাণ।
  • আর যদি ইমামের সাথে মুসল্লির সংখ্যা একের অধিক হয় তখন আর ইমামের ডানে দাঁড়াবে না বরং একদম ইমামের পিছন বরাবর দাঁড়াবে, এক্ষেত্রে কাতার সোজা রাখা জরুরি। এবং সর্বপ্রথম কাতারে যারা প্রাপ্তবয়স্ক তারা দাঁড়াবে, তাদের স্তর শেষ হলে পরবর্তী কাতারে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেরা দাঁড়াবে।
আরো পড়ুনঃ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম, ফজিলত, ১০ পুরস্কার, গুরুত্ব ও হাদিস সমূহ
  • ইমামের সাথে মুসল্লিগণ নামাজ চলাকালীন অবস্থায় সুরা কেরাত কিছুই পড়বে না, কেননা ইমামের কেরাতই মুসল্লির কেরাত বলে বিবেচিত হবে। তবে কেরাত ব্যতীত অন্য যা কিছু আছে যেমনঃ তাকবীর বলা, দুরুদ শরীফ পড়া, ছানাপাড়া ইত্যাদি সবকিছুই মুসল্লির পড়তে হবে।
বি.দ্র. জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখিত নিয়ম গুলো ব্যতীত বাকি সব নিয়ম একাকী নামাজ আদায় কারী ব্যক্তির নামাজের মতই। তাই জামাতে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে উল্লেখিত নিয়ম গুলো সামনে রেখে একাকী নামাজ আদায়ের নিয়ম গুলো মেনে চললেই হয়ে যাবে।

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব

প্রিয় বন্ধুরা, জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব জানা আমাদের জন্য খুবই জরুরী। আর তাই জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হলে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে।
  • একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ আদায় করলে ২৭ গুন সওয়াব বেশি পাওয়া যায়। বুখারী, হাদিস নম্বর ৬৪৫।
  • তাছাড়া ফিকহের দৃষ্টিকোণ থেকে জামাতে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব।
  • অন্য এক হাদিসের মধ্যে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আযান দেয়া এবং জামাতে নামাজ আদায়ের যে কি পরিমান ফজিলত তা যদি তোমরা জানতে তাহলে এই কাজের জন্য প্রয়োজনে লটারি করতে।
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আজান শুনল অথচ বিনা প্রয়োজনে মসজিদে আসলো না তার নামাজই হবে না। ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বর৭৯৩।

জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত

জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনায় এখন আমরা জানব জামাতের নামাজ আদায়ের ফজিলত সম্পর্কে। জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত সম্পর্কে জানলে জামাতের নামাজ পড়ার আগ্রহ বেড়ে যাবে। তাই জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত সম্পর্কে জানতে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
  • জামাতে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সোয়াবের কাজ, অসুস্থ এবং অক্ষম ব্যক্তি ব্যতীত জামায়াত না করার অনুমতি কারর নেই। 
  • একজন মুসলমান জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে সে তার জীবনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জীবদ্দশায় কখনোই বিশেষ থেকে বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত জামাত ছারতেন না, এমনকি অসুস্থ অবস্থায়ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুজন সাহাবীর ঘাড়ের উপর ভর করে মসজিদে গিয়েছেন এবং জামাতে নামাজ আদায় করেছেন।
  • জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলতের ব্যাপারে এক হাদিসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একাকি নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ আদায় করলে ২৭গুন সওয়াব বেশি পাওয়া যায়।
অন্য আরেক হাদিসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
  • যে ব্যক্তি জামাতে এশার নামাজ আদায় করল সে যেন অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত নামাজ পড়লো, অতঃপর যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায় করল সে যেন পূর্ণ রাত্রি নামাজ আদায় করল।
হাদিসের মধ্যে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ 
  • একজন মুসল্লী বিশিষ্ট জামাতে যে ব্যক্তি শরিক হলো সে একটা সোয়াব পেল আর যে ব্যক্তি দুজন মুসলমান সে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পেল আর যে ব্যক্তি তার চেয়েও বেশি মুসল্লী বিশিষ্ট জামাতে শরিক হলো সে তার চেয়েও বেশি সওয়াব পেল। এভাবে জামাতে মুসল্লির সংখ্যা যত বাড়বে সোয়াবের পরিমাণও তত বাড়বে।

স্বামী- স্ত্রী জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম

আমরা অনেকে বিভিন্ন সময় বিশেষ অজরবশত মসজিদে গিয়ে জামাতে শরিক হতে পারি না, সে ক্ষেত্রে আমরা বাসা /বাড়িতে একাকি নামাজ আদায় করি, অথচ আমরা চাইলে এরকম প্রয়োজনের সময় বাসাতেও স্ত্রী সন্তানকে সাথে নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারি। তাই স্বামী স্ত্রী জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে জানা জরুরী। 
তবে এক্ষেত্রে নিয়ম হলোঃ স্বামী নামাজের ইমামতি করবে আর স্ত্রী হবে তার মুক্তাদী। এবং স্ত্রী নামাজের সময় স্বামীর পাশে দাঁড়াবে না। বরং সে স্বামীর বরাবর পিছনে দাঁড়াবে। যদি ভুলক্রমেও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে তাহলে তাদের উভয়ের নামাজই নষ্ট হয়ে যাবে।
হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বর্ণনা করেন, একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং আমার মাকে সাথে নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করেছেন।
উল্লেখ্য, জামাতে নামাজ আদায়ের যে নিয়ম সে নিয়ম স্বামী স্ত্রীর জামাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম

জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব এই আর্টিকেলে এখন আমরা আলোচনা করব মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে। মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য খুবই জরুরী। তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন।
আমরা অনেক সময় মা-বোনদের মধ্যেও পুরুষদের মত জামাতে নামাজ আদায় করার প্রবণতা দেখতে পাই, অধিক সোয়াবের আশায় তারা এমন আগ্রহ করে থাকেন, কিন্তু ইসলামী শরীয়ত স্বতন্ত্রভাবে মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায় করার অনুমতি দেয়নি। এবং তারা জামাতে নামাজ আদায় না করে একাকী নিভৃতে নামাজ পড়লেই সেই সোয়াব পেয়ে যাবে।
তারপরও যদি মহিলারা আলাদা ভাবে জামাত করে তাহলে যিনি ইমাম হবেন তিনি সবার সামনে দাঁড়াবেন না, বরং তিনি কাতারের মাঝ বরাবর অন্যান্য নারী মুসল্লিদের মতোই দাঁড়াবেন।
রাসুল সাঃ এর যুগে মহিলারা কখনো এরূপ জামাতে নামাজ আদায় করেছেন বলে হাদীসের মধ্যে পাওয়া যায় না।
তবে যদি মহিলারা পুরুষদের সাথে জামাতে নামাজ আদায় করতে চায় তাহলে অবশ্যই সেটা করতে পারবেন, এবং তা হবে পর্দার আড়ালে থেকে। অর্থাৎ মহিলা মুসল্লীগণ পর্দার আড়ালে থেকে পুরুষ ইমামের নামাজের নিয়ত করবে।

জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্বপূর্ণ হাদিস সমূহ

এখন আমরা আলোচনা করব জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্বপূর্ণ হাদিস সমূহ নিয়ে। আপনি যদি জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্বপূর্ণ হাদিস সমূহ জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আশা করি হাদিস গুলো জানার মাধ্যমে জামাতে নামাজ পড়ার আগ্রহ অনেক বেড়ে যাবে।
عَنِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَتَى الْمَسْجِدَ، فَرَأَى فِى الْقَوْمِ رِقَّةً فَقَالَ إِنِّى لأَهُمُّ أَنْ أَجْعَلَ لِلنَّاسِ إِمَاماً ثُمَّ أَخْرُجُ فَلاَ أَقْدِرُ عَلَى إِنْسَانٍ يَتَخَلَّفُ عَنِ الصَّلاَةِ فِى بَيْتَهِ إِلاَّ أَحْرَقْتُهُ عَلَيْهِ. فَقَالَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ: يَا رَسُولَ اللهِ! إِنَّ بَيْنِى وَبَيْنَ الْمَسْجِدِ نَخْلاً وَشَجَراً وَلاَ أَقْدِرُ عَلَى قَائِدٍ كُلَّ سَاعَةٍ أَيَسَعُنِى أَنْ أُصَلِّىَ فِى بَيْتِى؟ قَالَ : أَتَسْمَعُ الإِقَامَةَ؟ قَالَ : نَعَم .قَالَ: فَأْتِهَا-
  • ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা রাসূল (ছাঃ) মসজিদে আগমন করে মুছল্লীদের স্বল্পতা দেখে বললেন, আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি লোকদের জন্য কাউকে ইমাম নিযুক্ত করে বেরিয়ে যাই। অতঃপর যে জামা‘আতে ছালাত আদায় না করে বাড়ীতে অবস্থান করছে তাকে জ্বালিয়ে দেই। তখন ইবনু উম্মে মাকতূম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার বাড়ী ও মসজিদের মধ্যে খেজুর ও বিভিন্ন বৃক্ষের বাগান রয়েছে। আর সবসময় আমি এমন কাউকেও পাই না যে আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসবে। আমাকে কি বাড়িতে ছালাত আদায়ের সুযোগ দেওয়া যায়? তিনি বললেন, তুমি কি ইক্বামত শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ। রাসূল (ছাঃ) বললেন, তাহ’লে ছালাতে এসো’
  • অপর এক হাদিসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি বিনা প্রয়োজনে আজান কানে যাওয়া সত্ত্বেও মসজিদে এসে জামাতে শরিক হলো না তার নামাজই হবে না। এখানে নামাজ না হওয়ার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো নামাজের ফরজিয়াত আদায় হয়ে যাবে ঠিক কিন্তু ওয়াজিব তরফ করার কারণে গুনাহগার হবে।
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ তিনজন মানুষ চাই গ্রামে থাকো অথবা জনমানবিহীন কোন মরুভূমিতে থাকুক যদি তারা নামাজের জন্য জামাত কায়েম না করে তাহলে অবশ্যই তাদের ওপর শয়তান প্রভাব বিস্তার করে।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, জামাতে নামাজ পড়ার নিয়ম ও জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব নিয়ে চেষ্টা করেছি বিস্তারিত আলোচনা করার। সেই সাথে উপরিউক্ত জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম, গুরুত্ব, ফজিলত মহিলাদের সাথে জামাতের নিয়ম যেই আলোচনা করা হলো তা অনুযায়ী আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দিন। বিশেষ করে জামাত পরিত্যাগ করা থেকে আমাদেরকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন। সেই সাথে পোস্টটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে অবশ্যই প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্চিং লিংক প্রোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪